ঘর যে ভাষায় কথা বলে
কোনো চেম্বার বাংলায় কথা বলে, ডোজও বাংলায় লেখে। কোনো চেম্বার বাংলায় কথা বলে, ঔষধের নাম রাখে বাক্সের ব্র্যান্ড। softhubd এই অভ্যাসের একটাকে জোর করে বের করে না। বাংলা বা ইংরেজি বাছলে লেখা সেদিকে যায়। ব্র্যান্ড ব্র্যান্ডই থাকতে পারে। ডোজের লাইনে তবু সকাল, দুপুর, রাত, অথবা কয়েক ঘণ্টা পর পর, অথবা শিরায় মিনিটে কত ফোঁটা। ডোজ বাংলিশে লিখলে লিখতে লিখতে বাংলা হয়। মাকে এইমাত্র যে বাক্য বললেন, সেটা অনুবাদ করতে আলাদা খাতা লাগে না।
ভাষার প্রতিশ্রুতি এইটুকু, ইচ্ছে করেই ছোট। পাতা আপনার হয়ে রোগটা সাহিত্যের বাংলায় লিখে দেয় না। ঔষধ শুধরে দেয় না। আপনি যে ভাষায় লিখেছেন, সেই লাইন মনে রাখে, ফিরিয়ে দেয়। দুই অক্ষর, তারপর ক্লিক। ক্লিক তবু আপনার।
ফার্মেসির ছেলে যে ভাষায় পড়ে, চেম্বারের সেই ভাষায় লেখা উচিত। বাংলা ডোজ ইংরেজি সংক্ষেপে লুকিয়ে রাখলে মাকে আবার বোঝাতে হয়। সফটওয়্যার সেই বোঝানো লিখে দিতে পারে, যদি আপনি সেই বাক্য একবার লেখেন। পরের বার ক্লিক। প্রথমবারের কথা আপনার মুখের।
যে ডোজ এক ছাঁচে আসে না
বাচ্চার সিরাপ প্রায়ই সকাল, দুপুর, রাত, খাবারের পর, পাঁচ দিন। অ্যান্টিবায়োটিক আট ঘণ্টা পর পর হতে পারে। স্যালাইনের ফোঁটা আলাদা বাক্য: মিনিটে কত ফোঁটা, কতক্ষণ। পাতায় এই আকারগুলোর জায়গা আছে। ভিজিট যখন ড্রিপ, আপনাকে 1+0+1-এ ঠেলে দেওয়া হয় না। যেভাবে বলতেন সেভাবে লাইন লেখেন, পরের মিল ভিজিটে সেই লাইন ফিরে আসতে পারে। বাচ্চার ওজন বদলালে লাইন বদলান আপনি। ওজনের ঘর বদলানোর সাথে সাজেশন ডোজ বদলায় না।
ডোজের লাইনে বাংলা মানে বাকি নোট বাংলা হতেই হবে না, আবার অভিযোগ ইংরেজিতে হলে বাংলা ডোজ নিষেধ নয়। পাতার দিকের জন্য ভাষা বাছুন, তারপর চেম্বার যেভাবে ফার্মেসিতে পড়া হবে সেভাবে লিখুন। যে ফার্মেসি বাংলা ডোজ পড়ে, তাদের “1+0+1” মানে খাবারের পর — এটা আন্দাজ করতে দেওয়া ঠিক নয়। কথা চাইলে কথা লিখুন।
পরের সপ্তাহে বাংলা যা থেকে যায়
স্মৃতি আপনার স্মৃতি। বাংলায় সেভ করা বাক্য বাংলাতেই ফেরে। রাতারাতি শক্ত ইংরেজি লাইনে অনুবাদ হয় না। টেমপ্লেটও তাই। বর্ষার পরামর্শ সেভ করুন, আবহাওয়া মিললে খুলুন, না মিললে মুছুন। টেমপ্লেট প্রতি জ্বরে চাপানো নিয়ম নয়। যে অনুচ্ছেদ বারবার লিখে ক্লান্ত, সেটা।
টেস্ট ও পরামর্শেও দুই অক্ষরের ইঙ্গিত। CBC, প্রস্রাব, জ্বর না কমলে আসবেন: একবার লিখুন, পরে ক্লিক করুন। প্রায় ৭২ হাজার সারির ক্যাটালগে সাপ্লাইয়ের নাম না থাকলে যে ভাষায় চান লিখে বসান, থেকে যায়। নেবুলাইজার, মাস্ক, সার্ভিক্যাল কলার — যে নাম লিখেছেন সেই নাম ফেরে। দাম থাকলে সার্চে দেখায়, ছাপায় থাকে না, যদি না সেই চেম্বার চালু করে।
বাংলা মানে আলাদা পণ্য নয়
ডোজ বাংলায় লিখলেন বলে প্যাড, ভিজিট আইডি, হোয়াটসঅ্যাপের ফাইল, মাসিক দাম বদলায় না। বেসিক তবু ৳১,০০০, স্ট্যান্ডার্ড ৳২,০০০, প্রিমিয়াম ৳৩,০০০। মাসিক প্যাকে একজন ডাক্তার, ২ বা ৫ বা ১০ চেম্বার। একবার কেনার দাম তবু ডেমোতে। সিল তবু স্বচ্ছ PNG। মোবাইল তবু ছাপা হয় না। এই সাইটের ইংরেজি পাতা একই সফটওয়্যার। সেটা আলাদা, দামি মোড নয়।
বাংলা শুনে পাতা লিখে দেয় এমন ভয়েস নেই, আর এমন প্রতিশ্রুতি নেই যে সফটওয়্যার ক্লিনিকাল বাংলা আপনার চেয়ে ভালো বোঝে। রোগী বোঝেন আপনি। পাতা আপনার কথা রাখে। “বাংলা সফটওয়্যার” বলতে এটাই চেয়ে থাকলে ডেমোতে দুটি ফ্রি প্রেসক্রিপশনে দেখা যাবে। যে নোট বানিয়ে দেয় এমন অনুবাদক চেয়ে থাকলে এটা সেটা নয়।
বাংলিশে “sokal 1 chammach” লিখতে লিখতে বাংলা হয়ে যায়, এইটুকুই সুবিধা। বাক্যের মানে সফটওয়্যার তৈরি করে না। ভুল চামচ লিখলে ভুলই থাকবে, যতক্ষণ না আপনি শোধরান। সাজেশন গতবারের ভুলও ফিরিয়ে দিতে পারে। তাই ক্লিকের আগে পড়ুন। গতবারের লাইন এই বাচ্চার ওজনের জন্য না-ও হতে পারে।
মা যেভাবে ডোজ ফেরাবেন, সেভাবে বলা
শিশুর চেম্বারে মা বাড়িতে দাদিকে ডোজ ফেরাবেন। কাগজে 1+0+1 থাকলে কেউ একজনকে বারান্দায় অনুবাদ করতে হয়। কাগজে যদি থাকে সকালে, দুপুরে, রাতে এক চামচ, খাবারের পর, পাঁচ দিন, বারান্দা শান্ত। এই বাক্য সাধারণ বাংলা, আর এটুকুই যথেষ্ট। একবার টাইপ করেন। পরের সপ্তাহে ঘর সেটা ফিরিয়ে দেয়। এই বাচ্চার চামচ সেই চামচ হলে তবে ক্লিক করেন। হালকা বাচ্চা গত সপ্তাহের লাইন পায় না, শুধু কথা চেনা বলে।
বাংলিশ সেতু, গন্তব্য নয়। মানুষ যেভাবে মেসেজ করে সেভাবে টাইপ করে। কার্সর সরার সময় পাতা সেটা বাংলা করে। ছাপার আগে তবু পড়ুন। বাংলায় ভুল চামচ তবু ভুল চামচ। সফটওয়্যার ওজন জানে না। আপনি জানেন।
ইংরেজি ব্র্যান্ড, বাংলা নির্দেশ
বাক্সে ব্র্যান্ড ইংরেজিতে। ফার্মেসির কর্মী অনেক সময় অনুবাদ করা জেনেরিকের চেয়ে সেই ইংরেজি নাম ভালো চেনে। ব্র্যান্ড রাখুন। নির্দেশের লাইনে বাংলা দিন: কতবার, খাবারের আগে না পরে, কত দিন, জ্বর থাকলে কী করবেন। টেস্ট থাকতে পারে আপনার ছোট নামে, CBC আর প্রস্রাব, কারণ ল্যাব স্লিপ এভাবেই পড়ে। পরামর্শ পুরো বাংলা বাক্য হতে পারে। পাতা প্রতি বাক্সে এক ভাষা চাপায় না। আপনি যে দিক বাছেন সেদিকে যায়, তারপর যা টাইপ করেছেন তাই ছাপে।
বাংলা টেমপ্লেট ডেঙ্গুর মৌসুমে প্রতিদিন যে পরামর্শ দেন তার জন্য কাজে লাগে, মৌসুম শেষের সপ্তাহে অকেজো। মুছে দিন। টেমপ্লেট দেয়ালের পোস্টার নয়। এমন অনুচ্ছেদ যা সফটওয়্যারের সাথে তর্ক না করে ফেলে দেওয়া যায়।
বাংলা যা বদলায় না
প্যাড তবু আপনার PDF। ফাইল স্বচ্ছ হলে সিল তবু স্বচ্ছ PNG। দাম তবু সার্চে, ছাপায় নয়। ভিজিট আইডি তবু 0042-এর মতো সংখ্যা, ওয়েটিং রুমের বাংলা সিরিয়াল নয়। হোয়াটসঅ্যাপ তবু আপনি লাগানো ফাইল। মাসিক টাকা তবু ৳১,০০০, ৳২,০০০, বা ৳৩,০০০। এগুলোর বাংলায় আলাদা মাশুল নেই, আর কেউ প্রেসক্রিপশন জোরে পড়ে শোনায় না। ভাষার সুইচের আড়ালে ভয়েস মোড নেই।
নিজের কথায় ডোজের লাইন দেখতে চাইলে ডেমোতে দুটি ফ্রি প্রেসক্রিপশন। যেভাবে বলেন সেভাবে এক লাইন লিখুন। ঘরে ফিরে ক্লিক করে প্যাডে বসান। এই ক্লিকই পুরো সুবিধা। লাইন আপনার মতো হলে ভাষা তার কাজ করছে। পাতা আপনার হয়ে বাংলা বানিয়ে দেবে, এমন চাইলে দেবে না।
ফার্মেসিতে বাংলা ডোজ পড়তে না পারলে সমস্যা সফটওয়্যারের নয়, আপনার পছন্দের। যে দোকান ইংরেজি সংক্ষেপ পড়ে, সেখানে সংক্ষেপ রাখুন। যে বাসা চামচ বোঝে, সেখানে চামচ লিখুন। এক চেম্বারে দুই রকম রোগী এলে প্রতি ভিজিটে লাইন বদলান। টেমপ্লেট সবার জন্য একরকম হতে বাধ্য নয়।
ছাপার আগে একবার জোরে পড়া
বাংলা ডোজ ছাপার আগে একবার সেভাবে পড়ুন যেভাবে মা বাসে পড়বেন। আটকে গেলে লাইন বেশি চালাক। খাটো করুন। “সকালে এক চামচ, খাবারের পর” শেষ নির্দেশ। সংক্ষেপের স্তূপ ধাঁধা। পাতা দুই রকমই রাখবে। দয়ালুটা আপনার হয়ে বাছবে না। পরের বার দয়ালুটাই ক্লিক করা উচিত, ধাঁধা তালিকায় না ছুঁয়ে থাক।
যে চেম্বার ইংরেজিতে লেখে, সেই অ্যাকাউন্টে ইংরেজি থাকে। পাল্টাতে দ্বিতীয় প্যাক কিনতে হয় না। ৳১,০০০, ৳২,০০০, ৳৩,০০০-এ দুই ভাষা আছেই। ডেমোর দুই ফ্রি প্রেসক্রিপশনে এক বাংলা লাইন ও এক ইংরেজি লাইন লিখে দিক বদল দেখা যায়, মাস শুরুর আগে।
বাচ্চার ওজন বদলালে পুরোনো চামচের লাইন ক্লিক করবেন না। সাজেশন বিশ্বস্ত, বুদ্ধিমান নয়। গতবারের বাক্য গতবারের বাচ্চার। আজকের ওজন আজ আপনি দেখেন। এই এক পড়া বাংলা সফটওয়্যারের আসল নিরাপত্তা। কোনো স্বয়ংক্রিয় হিসাব চামচ কমিয়ে দেবে না।
ফার্মেসি যদি বলে ডোজ বোঝা যায়নি, পরের ভিজিটে লাইন বদলান, টেমপ্লেটও বদলান। একই ধাঁধা দশজনকে দিয়ে তারপর সফটওয়্যার দোষ দেওয়া বৃথা। ভাষা আপনার বাক্য রাখে। বাক্য পরিষ্কার না হলে ছাপাও পরিষ্কার হয় না।
শিরায় ফোঁটার লাইন আলাদা করে পড়ুন। “মিনিটে কত ফোঁটা” না লিখলে নার্স আন্দাজ করেন। আন্দাজ কাগজে থাকা উচিত নয়। একবার পরিষ্কার লিখলে পরের ড্রিপে সেই লাইন ক্লিক করা যায়। প্রথমবারের শ্রম পরের দশটায় ফেরে। এটাই বাংলা ডোজ রাখার কারণ, কারও কবিতা নয়।
যে লাইন সত্যি মুখে বলবেন
যে ডোজ সেই কথায় জোরে বলবেন না, সেটা ছাপবেন না। মুখের ভার্সন সেভ রাখুন। পরের বার সেটাই ক্লিক করুন।
বাংলা টেমপ্লেট দশটা ভিজিট পর পড়ে দেখুন। মৌসুম বদলালে মুছুন। পুরোনো পরামর্শ নতুন জ্বরে ক্লিক হলে দায় আপনার, তালিকার নয়। তালিকা বিশ্বস্ত ঘোড়া। লাগাম আপনার হাতে।
ইংরেজি ব্র্যান্ডের পাশে বাংলা চামচ রাখলে ফার্মেসি ও বাসা দুইজনেই পড়তে পারে। শুধু সংক্ষেপ রাখলে বাসা আন্দাজ করে। শুধু লম্বা বাক্য রাখলে ফার্মেসি সময় নেয়। এক লাইন নির্দেশ, এক লাইন দিন সংখ্যা — এই দুইয়েই অধিকাংশ ভিজিট শেষ। বাকি বাক্য তখনই, যখন সতর্কতা সত্যি দরকার।
ডেমোতে এক লাইন বাংলা লিখে ছাপুন। মাকে দেখানোর মতো হলে ভাষা ঠিক আছে। নিজে আটকে গেলে লাইন খাটো করে আবার ছাপুন। প্যাকের দাম এই পরীক্ষা বদলায় না।
চেম্বারে যে বাক্য দিনে বিশবার বলেন, সেটাই সেভ রাখার যোগ্য। যে বাক্য বছরে একবার বলেন, টেমপ্লেটে রাখলে তালিকা নোংরা হয়। তালিকা খাটো থাকলে দুই অক্ষরে ঠিক লাইন আসে। লম্বা তালিকায় ক্লিক ভুল হয়। তাই মাসে একবার টেমপ্লেট ঘেঁটে ফেলুন। বাংলায় লেখা লাইন বাংলাতেই থাকবে, রাতারাতি ইংরেজি হয়ে যাবে না। এই স্থায়িত্বই ভাষা বদলের ভয় কমায়। ডোজের চামচ, দিনের সংখ্যা, খাবারের আগে না পরে — এই তিনটে থাকলে ফার্মেসি ও বাসা দুইজনেই এগোতে পারে। বাকি সাহিত্য কাগজে জায়গা খায়। জায়গা বাঁচলে সিল ঢাকে না, শেষ ঔষধও কাটা পড়ে না। এক লাইন বেশি মুছে দিলে কাগজ শান্ত হয়।
ডোজ বাংলিশে লিখলে কী হয়?
লিখতে লিখতে বাংলা হয়। ঔষধের ব্র্যান্ড বাক্সে যেমন আছে তেমন থাকতে পারে।
সফটওয়্যার কি আমার রোগনির্ণয় শুদ্ধ বাংলায় লিখে দেবে?
না। আপনার লেখা লাইন রাখে, ক্লিক করলে ফিরিয়ে দেয়।
এক চেম্বার বাংলা, আরেকটা ইংরেজি হতে পারে?
লেখা যে ভাষা বাছবেন সেদিকে যায়। প্রতি চেম্বারের প্যাড আলাদা, তাই ভাষা পাল্টালেও কাগজ ঘরের সাথে মিলতে পারে।
বাংলায় ছাপতে কি বেশি টাকা লাগে?
না। মাসিক প্যাক ৳১,০০০, ৳২,০০০, ৳৩,০০০, ইংরেজি পাতার মতোই।