কলম থেমে যায়
আপনি সেই মিনিট চেনেন। অভিযোগ কাগজে উঠে গেছে। খাবারের পর, পাঁচ দিন, সকাল আর রাত: ডোজ মাথায় আছে। বোতলের নাম নেই। কলম সেখানেই থাকে। শিশু চেয়ারে নড়ে। করিডরে পরের রোগীর শব্দ পাওয়া যায়। এটা পরীক্ষা ব্যর্থ হওয়া নয়। একটা নাম দেরি করছে, আর সেই নাম আপনার মনের নাম না হওয়া পর্যন্ত পাতা বের হতে পারে না।
এই থেমে যাওয়ায় ডাক্তার প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার মনে পড়ে। দ্বিতীয় মতামত হিসেবে নয়। এমন একটা তালিকা হিসেবে, যাতে চোখ বুলানো যায়, আর এমন লাইন হিসেবে যা আপনি এই রকম বিকেলে আগেই লিখেছেন। বাংলাদেশের চেম্বারের জন্য softhubd সেই তালিকা। সিদ্ধান্ত আপনার থাকে। পর্দা শুধু অনুমান থামায়।
চিন্তা আসলে কী নিয়ে
চিন্তা ভুল বোতল নিয়ে। দুই ব্র্যান্ডের শব্দ কাছাকাছি। একটা ড্রপ। একটা সিরাপ। একটা ৫০০ মিলিগ্রামের ট্যাবলেট, যে কোম্পানি আপনি রাখেন না। হাতের লেখা প্রেসক্রিপশনে আধমনে-থাকা নাম কাউন্টারের ধাঁধা হয়ে যায়। মা সেই বাক্য বয়ে নিয়ে যান না, যা আপনি প্রায় বলে ফেলেছিলেন। তিনি কালি বয়ে নিয়ে যান।
হয়তো সারা মাস এই ঔষধ ব্যবহার করেছেন। আজ শক্তি হারিয়ে যায়। কাল হয়তো কোম্পানি। কাগজের প্যাডে নামের পাশে কোনো সারি নেই। হয় মনে পড়বে, নয় কাছাকাছি কিছু লিখে আশা করবেন ফার্মেসি আপনার ভাবনা শেষ করবে। আশা খারাপ ডোজ।
লম্বা বিকেলে নাম অনেক, আলো কম। আপনি চিকিৎসা ভুলছেন না। সময়ের চাপে, একজন অপেক্ষা করছেন, এমন সময়ে একটা শব্দ ভুলছেন। ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার এই সরু ফাঁকে কাজে লাগে। পাতা ঘর ছাড়ার আগে চোখ দিয়ে শব্দটা মিলিয়ে নেওয়ার জায়গা দেয়।
দুই-তিন অক্ষর, তারপর এক সারি
softhubd-এ দুই বা তিন অক্ষর লেখেন। সার্চ শুরু হতে পারে ব্র্যান্ড, গ্রুপ, কোম্পানি, বা সাপ্লাই দিয়ে। সারিতে গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম থাকে, যাতে চেনা নাম আর ভুল শক্তি আলাদা বসে। দাম আপনার চোখের জন্য। এই চেম্বার চালু না করলে ছাপায় থাকে না। সাধারণত বন্ধই থাকে। ফার্মেসিতে অভিভাবক অন্য সংখ্যা দেখবেন। আপনার প্যাড দামের তালিকা নয়।
ক্যাটালগে প্রায় ৭২ হাজার ঔষধ ও সাপ্লাই। সিরাপ, মাস্ক, বা কলার তালিকায় থাকলে ট্যাবলেটের মতোই ওঠে।
প্যাডে বসে শুধু ক্লিকে। ক্লিকের আগে সেই ঔষধ পাতায় নেই। সফটওয়্যার অভিযোগ শুনে নিয়ম ভরায় না। দ্বিতীয় ঔষধ আটকায় না, দুই ঔষধের সংঘাতও জানায় না। সেই জ্ঞান আপনার। সারি পড়ুন। তারপর ঠিক করুন।
নাম না থাকলে প্যাডে লিখে বসান। থেকে যায়, পরে সার্চে মেলে। রোগী চেয়ারে থাকতে ক্যাটালগ আপডেটের জন্য ভিজিট থামাতে হয় না।
ব্র্যান্ড না মনে থাকলে, দল মনে থাকলে
কখনও ব্র্যান্ড যায়, দল থাকে। মনে আছে একটা অ্যান্টিহিস্টামিন, বা এই কাশির সিরাপ, বা যে কোম্পানির স্ট্রিপ আপনি বিশ্বাস করেন। সেটাই লিখুন। কোম্পানির ঘর আছে যাতে এক নামের দুই বোতল এক বোতল সেজে না বসে। গ্রুপের ঘর আছে যাতে ড্রপ আর ট্যাবলেট এক পছন্দ না হয়।
দাম না থাকলে সারি বাদ দেওয়ার কারণ নয়। কিছু সাপ্লাইয়ের সংখ্যা কাজে লাগে না। তবু বসানো যায়। যা করা ঠিক নয়: দাম চেনা লাগছে বলে সারি বাছা, অথচ শক্তি ভুল। ঘরগুলো আছে যাতে চেনা দাম আর ভুল বোতল একসাথে দেখা যায়।
এটা সাধারণ প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যারের কাজ। কলম থেমে যাওয়া মিনিটে সাহায্যের পুরোটাও এটাই। পাতাকে চিকিৎসা বানিয়ে দিতে বলছেন না। যে নাম মুখে আসছে না, সেই নাম দেখাতে বলছেন।
গত সপ্তাহে যে নাম লিখেছিলেন
মুখে নামের টুকরো থাকলে সার্চ কাজে লাগে। অন্য সাহায্য শান্ত। নিজের পাতা ফিরে আসা।
সামনের অভিযোগের সাথে মিলে এমন ভিজিটে একই ঔষধ অন্তত দুইবার সেভ হলে, ডাক্তার প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার সেই ঔষধের মধ্যে তিনটি পর্যন্ত দেখাতে পারে। টেস্ট ও কাউন্সেলের নিয়ম এক, প্রতিটিতে তিনটি পর্যন্ত। তালিকা অন্য ক্লিনিক থেকে আসে না। যে ব্র্যান্ড কখনও প্যাডে বসাননি, সেটা এখানে আসে না। একটা টেস্টই দুইবার লিখে থাকলে সেই টেস্ট দেখায়।
ভিজিটে বয়স থাকলে শিশুর সিরাপ বয়স্কের পাতায় যায় না। লিঙ্গ লেখা থাকলে সেটাও মিলতে হয়। ১০০°F বা ৩৭.৮°C ও তার ওপরে paracetamol খোঁজার বাটন আসে। ট্যাবলেট বেছে দেয় না।
একটা সেভ করা ভিজিট আবার খোলা যায়। সাজেশন অপেক্ষা করে, একই পছন্দ দুই মিলে যাওয়া পাতায় না আসা পর্যন্ত। প্রথম বিকেল পরের বাটন শেখায় না। দ্বিতীয় বিকেল পারে।
কালকের পাতা খুলুন, নাম যদি সেখানে থাকে
একই থেমে যাওয়ার আর এক পথ আছে। ব্র্যান্ড মনে নেই। শিশুটি মনে আছে। গত মঙ্গলবার এসেছিল। নাম, মোবাইল, বা আইডি দিয়ে সেই ভিজিট খুলুন। আইডি হতে পারে 0042-এর মতো। মোবাইল থাকে খোঁজার জন্য। প্যাডে ছাপা হয় না।
কালকের পাতা কালকেরই থাকে। আজকের ভিজিটে কপি করতে পারেন, যখন সেই বোতল সামনে চান। তারপর যা বদলেছে তা বদলান। কপি সার্চ নয়। কপি আনে যে লাইনে আপনি আগে সই করেছেন। সার্চ আনে ক্যাটালগের এক সারি। দুটোই আপনার জন্য অপেক্ষা করে। আপনি ভাবছেন, এমন সময়ে কেউ ভিজিট লিখে দেয় না।
জুনিয়র আপনার আসার আগে ইতিহাস রেখে যেতে পারেন। তাঁর সেভ করা লাইন আপনার টেমপ্লেট হতে বাধ্য নয়। আলাদা লগইন সাজেশনের তালিকা রাখে সেই মানুষের অভ্যাস হিসেবে, যিনি পাতা সেভ করেছেন। এক পাসওয়ার্ডে দুইজনের বোতল এক সারিতে মেশে। নাম মনে না এলে নিজের অভ্যাস চান, সহকর্মীরটা নয়।
ডোজ এখনও আপনার বাক্য
ক্লিকে নাম প্যাডে বসে। ডোজ তবু আপনার। সকাল থেকে রাত, কয়েক ঘণ্টা পর পর, দিনে কতবার, বা মিনিটে কত ফোঁটা, আর কত দিন। বাংলিশে ডোজ লিখলে বাংলা হতে পারে। ছাপার আগে লাইন বদলানো যায়। ভুল সারি সরানো যায়। আবার খুঁজুন। যে ক্লিক ঘর ছাড়বে, সেটা দ্বিতীয়টা।
কাগজে আপনি একটা শব্দ খুঁজছিলেন। পর্দায় শব্দটা এক সারি, পাশে কোম্পানি। রোগীর দরকার স্মৃতির নাটক নয়। দরকার আপনার মনের বোতল, এমন অক্ষরে যা ফার্মেসি রাত নয়টায় পড়তে পারে, যখন আপনার চেম্বারের কেউ কলমের আঁচড় বুঝিয়ে দিতে নেই।
যে শব্দে ডোজ মুখে বলতেন না, সেই শব্দে ছাপবেন না। মুখের বাক্যটাই রাখুন। পরের বার সেটাতে ক্লিক করুন।
যে কাগজ তাঁরা বাড়ি নিয়ে যান
ছাপেন যে প্যাড এখনই ব্যবহার করেন। সেই কাগজের PDF বা ছবি আপলোড করুন। মাপ A4, A5, বা প্যাড। মিলিমিটারে ফাঁকা কিনারা দিন, যাতে লেখা লোগোর ওপর না পড়ে। প্রতি চেম্বারের ফাইল আলাদা। সকালের PDF বদলালে সন্ধ্যারটা বদলায় না।
ফুটারে স্বাক্ষর ও সিল বসতে পারে। স্বচ্ছ সিল স্বচ্ছ থাকে। লক্ষ্য সেই পাতা, যা রোগী চেনেন। কাউন্টারে শিখতে হয় এমন নতুন লেটারহেড নয়।
রোগী চলে গেলে JPG বা PDF বানান, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেলে নিজে লাগান। সফটওয়্যার চ্যাট খোলে না। ফাইল তৈরি হয়েছে, এমন খবরের এসএমএস পাঠায় না। ফাইলটাই আপনি যোগ করেন। চারপাশের কথা আপনার।
হাতের লেখার ছবি সেই নাম সারায় না, যে নামে আপনি নিশ্চিত ছিলেন না। অক্ষর হতে হবে সেগুলো, যা সারি সামনে থাকতে আপনি বেছেছিলেন। পরের মাসে এলে ভিজিট খুলুন। পুরোনো চ্যাটের ছবিকে বদলানোর খাতা বানাবেন না।
সংযোগ চলে গেলে
ইন্টারনেট থামলে, এই কম্পিউটারে আগে খোলা রোগী ও ঔষধ দিয়ে কাজ চলতে পারে। সেভ করা কাজ সংযোগ ফিরলে চলে যায়। পুরো ক্যাটালগের নতুন সার্চে সংযোগ লাগে। সাজেশন দিতে পারে শুধু যা এই লগইনে আগে সেভ করেছেন। যে ভিজিট সেভ হয়নি, সেটা দেখে না।
সন্ধ্যায় লাইন পড়ে গেলে, করিডর তখনও ভর্তি থাকলে, এই সীমা কাজে লাগে। এ সপ্তাহে যে নাম ব্যবহার করেছেন, সেগুলো তখনও হাতের কাছে। যে দুর্লভ শক্তি কখনও খোলেননি, সেটা নেটওয়ার্কের জন্য অপেক্ষা করে। অফলাইনে চলা প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার এমন প্রতিশ্রুতি নয় যে দেশের প্রতিটি বোতল ঘরে আছে। প্রতিশ্রুতি এটুকু: রাউটার থেমে গেলেও আজকের চেনা কাজ থামে না।
সেই মিনিটে আপনি যা কিনছেন না
softhubd রোগ নির্ণয় করে না। নিজেকে বাংলাদেশের সেরা প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার বলে না। এসএমএস, সারির বোর্ড, ভয়েস, আইসিডি তালিকা, বা অটো চেকআউট যোগ করে না। বড় মাসিক প্যাক চেম্বার ও সেভ করা প্রেসক্রিপশন বাড়ায়। পাঠানোর লোক যোগ করে না, ক্লিকও দ্রুত করে না।
বেসিক ৳১,০০০, ৫০০ সেভ, ২ চেম্বার। স্ট্যান্ডার্ড ৳২,০০০, ৫ চেম্বার। প্রিমিয়াম ৳৩,০০০, ১০ চেম্বার। মাসিক প্যাক একজন ডাক্তারের। অব্যবহৃত সেভ থেকে যায়। একবার কেনার দাম ডেমোতে বলা হয়, এই পাতায় নয়।
ডেমোতে দুটি প্রেসক্রিপশন, নতুন ট্যাবে। এ সপ্তাহে যে নাম পিছলে গেছে, সেটা লিখুন। কোম্পানি দেখুন। দাম কাগজে রাখবেন না। যে সারি চেয়েছিলেন, শুধু সেটাতে ক্লিক করুন। কলম থেমে থাকা সময়ের চেয়ে এই মিনিট ছোট হলে, এই পাতা কীসের জন্য তা দেখে ফেলেছেন।
এই প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার কি আমার হয়ে ঔষধ মনে রাখে?
মিলে যাওয়া ভিজিটে আপনি যা সেভ করেছেন, তা তিনটি পর্যন্ত দেখাতে পারে, একই পছন্দ দুইবার সেভ হলে। যা কখনও লেখেননি, সেটা ক্যাটালগে সার্চ। ক্লিক না করা পর্যন্ত প্যাডে কিছু বসে না।
শুধু কোম্পানি বা গ্রুপ মনে থাকলে?
সেটা দিয়ে খুঁজুন। সারিতে গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম থাকে, যাতে কাছাকাছি দুই বোতল আলাদা করা যায়। চেম্বার চালু না করলে দাম ছাপায় থাকে না।
বেশি জ্বর কি ট্যাবলেট বেছে দেয়?
না। ১০০°F বা ৩৭.৮°C ও তার ওপরে paracetamol খোঁজার সুযোগ আসে। সারি আপনি তোলেন, ডোজ আপনি লেখেন।
ব্র্যান্ড মনে না এলে কি গত সপ্তাহের প্রেসক্রিপশন খোলা যায়?
হ্যাঁ। নাম, মোবাইল, বা 0042-এর মতো আইডি দিয়ে ভিজিট খুলুন। আজকের পরীক্ষা সেই পাতা চাইলে তবেই কপি করুন। তারপর যা বদলেছে তা বদলান।
বাংলাদেশি ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার কি নিজে থেকে প্রেসক্রিপশন পাঠায়?
না। নিজের প্যাডে ছাপেন, অথবা JPG বা PDF বানিয়ে নিজে লাগান। ডেমোতে দুটি ফ্রি প্রেসক্রিপশন, soft.softhubd.com-এ।
