যে শিটের জন্য আপনি আগেই প্রেসকে টাকা দেন
ডাক্তার প্যাড বদলান না, কারণ একটা ওয়েবসাইট নিজের লেটারহেড পছন্দ করে। প্রেসের কাছে ব্লক আছে। রোগী রং চেনেন। softhubd সেই ফাইল নেয়। PDF বা ছবি দিন, A4, A5, বা প্যাড বাছুন, চার মার্জিন ও ফাঁকা জায়গা মিলিমিটারে দিন। লেখা নামের নিচ থেকে শুরু হওয়া উচিত, লোগো এড়িয়ে। অন্য কেউ কাগজে দেখার আগে প্রিভিউতে আপনি দেখেন। সেই চেম্বারের জন্য একবার মাপুন। পরের ভিজিট সেই সংখ্যাই ব্যবহার করে।
প্যাডের বাঁকা ছবিও আপনার প্যাড। স্ক্যান হেলানো থাকলে স্ক্যান ঠিক করুন। সফটওয়্যার আপনার লেখা সেই বাক্সে বসায় যা আপনি ঠিক করেছেন। আর্টওয়ার্ক নতুন করে আঁকে না। ফাইল যদি প্রেসের আসল PDF হয়, ছাপা সাধারণত ফোনের ছবির চেয়ে পরিষ্কার। দুটোই চলে। মানে এই যে রোগী হাতে যা নেন, গত বছর যা ধরেছিলেন তার মতো দেখায়।
প্রিভিউতে লোগোর ওপর একটা লাইন উঠলে সেদিনের ছাপা থামান। মিলিমিটার বাড়ান, আবার দেখুন। একবার ঠিক হলে পরের পঞ্চাশ জন সেই জায়গায়ই লেখা শুরু করে। প্রতি ভিজিটে চোখ বন্ধ করে ছাপাবেন না, কিন্তু প্রতি ভিজিটে নতুন করে মাপবেনও না।
স্বাক্ষর, সিল, আর স্বচ্ছ জমি
ফুটারে পাতা আপনার হয়। স্বাক্ষর ও সিল PNG বা JPEG। সিল স্বচ্ছ জমিতে বের হলে স্বচ্ছ থাকে। সিলের চারপাশে সাদা বাক্স ফাইলের সমস্যা, পরে টগল করার সেটিং নয়। প্রিভিউতে ছবি টেনে সইয়ের জায়গায় রাখুন, অথবা আঙুলে আন্দাজ না করতে চাইলে মিলিমিটারে জায়গা লিখুন। ঠিক হলে ছেড়ে দিন। রোগীর ফাঁকে সিল বসানোর কাজ থাকা উচিত নয়।
সেই চেম্বার সেই জায়গা মনে রাখে। বিকেলের কাগজে আলাদা সিল লাগলে আলাদা চেম্বার আলাদা সিল রাখে। ঘর বদলালে এগুলো পাল্টায় না, যদি না দ্বিতীয় ফাইল দেননি আর এখনও প্রথম প্যাডে ছাপছেন। আগে চেম্বার বাছুন। তারপর প্রিভিউ। তারপর ছাপা।
সেই কাগজে রোগীর যা দেখার কথা নয়
গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম সার্চে দেখা যায়, যাতে কাছাকাছি দুই সারি আলাদা করেন। প্যাডে থাকে না, যদি না সেই চেম্বার চালু করে। সাধারণত বন্ধ। বাচ্চার প্রেসক্রিপশনের কোনায় বাজারদর বাবার দরকার নেই, ফার্মেসিরও আপনার সার্চ নোট দরকার নেই। মোবাইল একই কারণে কাগজে নেই। ছবি উঠবে। ছবির সাথে নম্বরের যাওয়ার দরকার নেই।
ডোজ, দিন, টেস্ট, পরামর্শ — কাগজ এগুলোর জন্য। ফার্মেসি যে ভাষায় পড়ে সেই ভাষায় লিখুন। ক্যাটালগে ঔষধ না থাকলে নাম লিখে বসান। যেমন লিখেছেন তেমন ছাপে, পরের বারের জন্য থাকে। জ্বর ১০০ বা বেশি হলে Paracetamol খোঁজার কথা আসতে পারে। বোতল পাতায় ফেলে দেয় না। আপনি বসান, ডোজ আপনি লেখেন।
কাগজ যখন তাঁদের সাথে যেতে পারে না
সেই সাজানো পাতার JPG বা PDF বানান। ফোনে শেয়ার শিট ফাইল হোয়াটসঅ্যাপে দেয়। কম্পিউটারে ফাইল নেমে আসে, আপনি লাগান। চ্যাট সফটওয়্যার পাঠায় না। সাজ তবু আপনার প্যাড, সিল হারিয়ে যাওয়া প্লেইন টেক্সট নয়। পরের মাসে এলে ভিজিট আইডি লেখা খোলে। তাঁর ফোনের ফাইল সেই দিনের কপি, পরে আপনি যে রেকর্ড সম্পাদনা করেন সেটা নয়।
ডেমোতে আপলোড দেখুন। দুটি প্রেসক্রিপশন ফ্রি, ছাপা লাইভ, তাই মাসিক প্যাকের কথা বলার আগে আপনার আসল PDF ঠিক বসে কি না দেখা যায়। বেসিক, স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়াম বদলায় কত চেম্বার ও কত সেভ। প্যাড যে আপনার, সেটা বদলায় না।
সিলের ছবি বড় হলে ছোট করে আবার দিন। স্বচ্ছতা নষ্ট করে সাদা জমির JPEG বানানোর দরকার নেই। PNG স্বচ্ছ থাকলে পাতায় কাগজের রং দেখা যায়, সিলের চারপাশে সাদা চৌকোনা নয়। এই ছোট জিনিসই প্রেসক্রিপশনকে ছাপানো মনে করায়, কম্পিউটারের স্টিকার মনে করায় না।
প্রথম ছাপা পরীক্ষা, রোগী নয়
একটা ফাঁকা ঘণ্টা ব্যবহার করুন। PDF দিন। ভুয়া নাম ও ছোট অভিযোগ নিয়ে এক পাতা ছাপুন। যে প্যাড এখন ব্যবহার করেন তার সাথে ধরে দেখুন। লেখা লোগোর ওপর উঠলে ওপরে মিলিমিটার যোগ করে আবার ছাপুন। সিল শেষ ঔষধ ঢাকলে নিচে টানুন। আসল রোগী জড়ানোর আগে এটা করুন। ডেমোর দুই ফ্রি প্রেসক্রিপশন এই পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট, লাইভ ছাপাই এগুলোর মানে। প্রিভিউর স্ক্রিনশট আপনার প্রিন্টারের কাগজ নয়। কাগজে বোঝা যায় প্রেসের PDF আর প্রিন্টার মিলছে কি না।
প্যাডের ফোনের ছবি চলতে পারে, কিন্তু কিনারা মিথ্যা বলে। প্রেসের PDF সাধারণত সোজা। শুধু ছবি থাকলে আপলোডের আগে কেটে নিন, যাতে সফটওয়্যার কাগজ কোথায় শেষ আন্দাজ না করে। লেখার বাক্স আপনি ঠিক করেন। আর্টওয়ার্ক softhubd-এর ভেতর আঁকা হয় না।
প্রেস নতুন ব্লক পাঠালে
লেটারহেড বদলায়। নতুন ডিগ্রি, নতুন ঠিকানা, নতুন রং। সেই চেম্বারের ফাইল বদলান। PDF বদলেছে বলে দ্বিতীয় চেম্বার বানাবেন না, যদি না সত্যি দ্বিতীয় ঘরে বসেন। নতুন ফাইলের পর মার্জিনে একটু ঠেলা লাগতে পারে, কারণ হেডার বেড়েছে। সিল দেখুন। নতুন ডিজাইনে ফুটারে জায়গা কমে, গত বছর ঠিক থাকা সিল এখন পরামর্শের ওপর। শান্ত পাঁচ মিনিটে ঠিক হয়। এক সপ্তাহের বাঁকা ছাপায় হয় না।
প্রতি চেম্বার নিজের ফাইল রাখে, তাই সকালের PDF বদলালে বিকেলেরটা বদলায় না। প্যাডের বাকি নিয়মের মতোই: ঘর কাগজ ভাগ করে না, যদি না ইচ্ছে করে একই ফাইল দুইবার দেন।
শিটে যা কখনও থাকে না
সার্চের দাম, কোম্পানি, গ্রুপ — সারি বাছার মুহূর্তের জন্য। শিটের জন্য নয়, যদি না সেই চেম্বারে চালু করেন। মোবাইল নম্বর শিটের জন্য নয়। স্বচ্ছ সিল শিটের জন্য, আর চারপাশে সাদা বাক্স মানে ফাইল স্বচ্ছ ছিল না। ফাইল ঠিক করুন। সাদা আয়তক্ষেত্র এঁকে সেটিং বলবেন না। রোগী আয়তক্ষেত্র দেখেন। কাগজের রঙে পরিষ্কার বসা সিল তাঁরা খুব কম খেয়াল করেন।
পরীক্ষার ছাপা পুরোনো প্যাডের মতো হলে আর নাড়াবেন না। পরের পঞ্চাশ জন একই মার্জিন পাবেন। ভিজিটের মাঝে নাড়াঘাঁটায় একাদশ রোগী দশম জনের চেয়ে আলাদা হেডার পান। বসান, ছেড়ে দিন, প্রেস ছবি বদলালে তবে ফিরে আসুন।
রোগী যদি বলেন কাগজ গতবারের মতো নয়, প্রিভিউ খুলে মার্জিন দেখুন, নতুন করে পুরো প্যাড বানাবেন না। অনেক সময় প্রিন্টারের কাগজ একটু সরেছে। সফটওয়্যারের সংখ্যা ঠিক থাকলে প্রিন্টার সামলান। দুই জায়গায় একসাথে মেরামত করলে বোঝা মুশকিল কোনটা ঠিক হয়েছে।
আর্টওয়ার্ক নাড়াবেন না
প্যাডের ডিজাইনের জন্য প্রেসকে আগেই টাকা দিয়েছেন। softhubd দ্বিতীয় ডিজাইনার নয়। এমন টেমপ্লেটের গ্যালারি দেবে না যা আপনার নাম সরিয়ে সাধারণ ক্লিনিক বসায়। যা আছে আপলোড করুন। ফাইল খারাপ দেখলে সেই খারাপ গত বছরও ছিল, রোগী মেনে নিয়েছেন। ঠিক করা প্রেসের সাথে কথা, তারপর নতুন আপলোড। এটা এমন ডিজাইন টুলের শনিবার নয় যা পরের মাসে মনে থাকবে না।
পরীক্ষার ছাপা মিললে মিলিমিটার চেম্বারের সেটিংয়ে লিখে থামুন। কর্মীরা রোগীর ফাঁকে মার্জিন “উন্নতি” করবেন না। প্রতি চেম্বারে এক প্যাড ফাইল, এক সিল, প্রেস নতুন PDF দিলে একবার শান্ত শোধর। রক্ষণাবেক্ষণ এইটুকু। ফাইল চলে কি না বোঝাতে ডেমোর দুই ফ্রি প্রেসক্রিপশন যথেষ্ট। মাসিক প্যাকে নতুন ডিজাইন নেই।
সিলের সাদা বাক্স নিয়ে ছাপা বারবার খারাপ হলে ছবির ফাইল খুলে দেখুন, মার্জিন নয়। PNG-এর কোনা স্বচ্ছ না হলে পাতায় সাদা চৌকোনা ওঠে। সেই চৌকোনা মিলিমিটারে সরালেও সাদা থাকে। নতুন করে স্বচ্ছ ছবি দিন। JPEG বাঁচাতে গিয়ে স্বচ্ছতা মেরে ফেলা যায়। সেই ভুল হলে আবার PNG।
দুই চেম্বারের দুই PDF গুলিয়ে আপলোড করলে সন্ধ্যায় সকালের নাম ওঠে। ফাইলের নাম দেখে দিন। আপলোডের পর প্রিভিউতে লেটারহেড পড়ুন। নাম মিললে তবে সেভ। এই এক মিনিট মাসজুড়ে ভুল কাগজ আটকায়। প্যাকের দাম এই ভুল সারায় না।
গত বছরের কাগজের মতো হলে থামুন
লক্ষ্য চেনা, নতুন ডিজাইন নয়। পরীক্ষার পাতা রোগীদের চেনা প্যাডের মতো হলে মার্জিন সেভ করুন, প্রেস ফাইল না বদলানো পর্যন্ত আর হাত দেবেন না। মাসিক ফিতে নতুন ডিজাইন নেই, আর সেই খোঁজে টাকা খরচ করা উচিত নয়।
সিলের জায়গা একবার ঠিক হলে রোগীর ফাঁকে টেনে বেড়াবেন না। টেনে সুন্দর করার চেষ্টায় দশম রোগীর সিল নবম জনের চেয়ে অন্য কোনায় চলে যায়। স্থির সিলই স্বাক্ষরের মতো। নড়া সিল স্টিকারের মতো।
PDF সোজা না হলে প্রেসকে আবার পাঠাতে বলুন। সফটওয়্যার হেলানো শিল্প সোজা করে না। ছবি কেটে আপলোড করা যায়, কিন্তু কাটা ছবির কিনারা প্রিন্টারে আবার সরে। একবার সোজা ফাইল, তারপর মিলিমিটার। এই ক্রম ভাঙলে সারা সপ্তাহ মাপামাপি।
ডেমোর লাইভ ছাপায় নিজের প্রিন্টার ব্যবহার করুন। পর্দায় মিলেছে কিন্তু কাগজে লোগো খেয়েছে, এমন হয়। কাগজই বিচারক। দুই ফ্রি প্রেসক্রিপশনের একটা এই বিচারের জন্য রাখুন।
কাগজ মিলে গেলে কর্মীকে বলুন মার্জিন নাড়বেন না। নতুন রোগী দেখে “একটু ওপরে” করার অভ্যাস সপ্তাহে প্যাড নড়িয়ে দেয়। এক সেটিং, সারা মাস। প্রেস নতুন ছবি দিলে তবে আবার বসুন। সিল স্বচ্ছ না হলে মার্জিন সারাবে না, ফাইল সারাবে। PNG রাখুন। সাদা জমির ছবি সাদাই ছাপবে। রোগী সেই সাদা চৌকোনা দেখে বলেন কম্পিউটারের কাগজ। চেনা প্যাডের রং দেখলে সেই কথা বলেন না। লক্ষ্য সেই চেনা রং। নতুন সুন্দর ডিজাইন এই সফটওয়্যারের কাজ নয়। প্রেস সেই কাজ আগেই করেছে। মার্জিন একবার ঠিক হলে সারা মাস একই থাকে। কর্মীরা মাঝখানে নাড়বেন না। নতুন PDF এলে তবে আবার দেখুন। সিলের সাদা বাক্স ফাইলের দোষ, মিলিমিটারের নয়। PNG স্বচ্ছ রাখুন। রোগী চেনা রং দেখলে পুরোনো প্যাড বলে চিনবেন। প্রিভিউ মিললে আর নাড়বেন না।
স্বচ্ছ সিল কি সাদা বাক্স হয়ে যাবে?
যে PNG সত্যি স্বচ্ছ, সেটা স্বচ্ছ থাকে। সাদা জমির JPEG সাদাই দেখাবে, কারণ সাদাটা ফাইলে আছে।
প্রতি চেম্বারের মার্জিন কি আলাদা হতে পারে?
হ্যাঁ। মার্জিন ও ফাঁকা জায়গা সেই চেম্বারের প্যাডের সাথে মিলিমিটারে থাকে।
দাম কি আপনা থেকে ছাপা হয়?
না। সার্চে দেখেন। প্যাডে লুকানো থাকে, যতক্ষণ না সেই চেম্বার চালু করে।
সফটওয়্যারের ভেতর নতুন লেটারহেড বানাতে হয়?
না। যে PDF বা ছবি এখন ব্যবহার করেন সেটা আনুন। সফটওয়্যার তার ওপর লেখা বসায়।