ব্লগ

রোগী চলে গেলেও প্রেসক্রিপশন হারায় না

· Sudiptta Apu

রিকশা এসে গেছে, বাচ্চা কাঁদছে। কাগজ না হলেও পাতাটা ফাইল হয়ে যায়। পাঠান আপনি। পরের মাসে সেই লেখা আবার খোলে।

প্রিন্টারের আগেই অনেক ভিজিট শেষ হয়

মুহূর্তটা চেনা। পরামর্শ পরিষ্কার, ঔষধ বাছা, বাচ্চা কাঁদতে শুরু করেছে। রিকশা গেটে। যে হাতের প্যাড শেষ হয়নি, সেটা হারানো প্রেসক্রিপশন। মা ফার্মেসিতে মুখস্থ থেকে গড়ে তুলবেন, ফার্মেসি আন্দাজ করবে। আন্দাজই দামি অংশ, কাগজ নয়। প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার এখানে কাজে লাগে, কারণ পাতা ফাইল হয়ে বেরোতে পারে, যে সাজে আপনি ছাপতেন: আপনার প্যাড, সিল, ডোজ, টেস্ট।

softhubd JPG বা PDF বানায়। পাঠায় না। ফোনে শেয়ার শিট থেকে চ্যাট বাছেন। কম্পিউটারে ফাইল নেমে আসে, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলে লাগান। শেষ ধাপ বাদ দিলে কিছু যায়নি। এই ডিফল্টই ঠিক। প্রিন্টের পাশের বাটনে প্রেসক্রিপশন বেরোনো উচিত নয়।

রোগী হারানোর ভয় অনেক ডাক্তারের। সফটওয়্যার সেই ভয় কমায় ফাইল দিয়ে, এবং পরের মাসের খোঁজ দিয়ে। দুটোই বোঝালে মানুষ কেনে। শুধু “হোয়াটসঅ্যাপ আছে” বললে বোঝে না কে পাঠায়। পাঠান তিনি। এই কথা লুকানো যাবে না, কারণ লুকালে প্রথম দিনই রাগ হয়।

ফাইল কী বয়ে নিতে পারে

নাম, বয়স, তারিখ, ঔষধ, পরামর্শ। মোবাইল নয়। মানুষ প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলে ফ্যামিলি গ্রুপে দেয়। নম্বর দিয়ে পরের বার খোঁজেন। নম্বরের সাথে যাওয়ার দরকার নেই। দাম, কোম্পানি, গ্রুপ নয়, যদি না এই চেম্বার চালু করে। দাম আপনি সারি বাছতে ব্যবহার করেছেন। বাবার চ্যাটে সেটা দরকার নেই। স্বচ্ছ PNG হলে সিল স্বচ্ছ থাকে। সিলের চারপাশে সাদা বাক্স ছবির ফাইলে, শেয়ার শিটে নয়। হোয়াটসঅ্যাপকে দোষ দেওয়ার আগে PNG ঠিক করুন।

পাঠানোর আগে একবার দেখুন। দেখে নিলে ভিজিট চূড়ান্ত করুন। তাড়াহুড়োর হ্যান্ডসেট থেকে শেয়ার হওয়া খসড়ায় আধা ডোজ ফার্মেসিতে পৌঁছায়। শেয়ার শিট খসড়া আর চূড়ান্ত আলাদা করে না। আপনি করেন। ভুল ফাইল গেলে শোধরানো দ্বিতীয় ফাইল আর এক বাক্য: এইটা মানবেন, আগের ছবি নয়। সফটওয়্যার তাঁর ফোনে ঢুকে বদলাতে পারে না।

“হারায় না” মানে ফিরে আসাও

তাঁর গ্যালারির ফাইল সেই বিকেলের কপি। পরে আপনি যে রেকর্ড সম্পাদনা করেন সেটা নয়। পরের মাসে নাম, মোবাইল, বা আইডি — যেমন 0042 — দিয়ে ভিজিট খুলুন। সাহায্য হলে পুরোনো প্রেসক্রিপশন কপি করুন, যা বদলেছে তা বদলান। আজকের সম্পাদনা পুরোনো ছবি বদলায় না। নতুন পাতা লাগলে নতুন ফাইল পাঠান। কোনটা আজকের বলুন। দুই কপি ফার্মেসিকে এমন বিভ্রান্ত করে, যা সফটওয়্যার না থাকলেও হত না।

আইডি দরজার সিরিয়াল নয়, এসএমএসে যায় না। “প্রেসক্রিপশন তৈরি” এমন খুদে বার্তা নেই। ফাইল মেসেজের সংযুক্তি। চারপাশের কথা আপনার। আপনা থেকে “ফাইল তৈরি” চাইলে ৳১,০০০ থেকে ৳৩,০০০-এ গেলেও পাবেন না। বেসিক, স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়াম সেভ ও চেম্বার বদলায়। পাঠানোর লোক যোগ করে না।

কে পাবেন, কে পাবেন না

রোগী, অথবা যিনি ঔষধ কিনবেন সেই বাবা। পাবলিক স্ট্যাটাস নয়। ডাক্তারদের গ্রুপ নয়, যদি না নাম সরিয়ে শেখাতে চান। বাবা ও চাচা কন্টাক্টে পাশাপাশি। চ্যাটের নাম দেখুন। ভুল চ্যাট গোপনীয়তার ভুল, এই পণ্য ফেরত আনতে পারে না, কারণ চ্যাট কখনও তার হাতে ছিল না। স্মার্টফোন না থাকলে ছাপুন। ফাইল তাঁর জন্য যিনি চলে গেছেন, কাগজ শেষ এমন নিয়ম নয়।

ইমেইল সেই ফাইল, যিনি মেইলবক্স চেয়েছেন। সময়মতো পাঠানোর বাক্স নেই। রাতের মেসেজের লাইন নেই। মানে করলে ডাউনলোড লাগান। তারপর ভিজিট শেষ। এরপরের সম্পর্ক — ডোজ ভুল হলে ফোন, ক্ষমা, নতুন ফাইল — এখনও ডাক্তারের কাজ। যে সফটওয়্যার এই কাজ করার ভান করে, সে মিথ্যা বলে।

বসে থাকা নয়, চলে যাওয়াটা দেখুন

ডেমোতে দুই ফ্রি প্রেসক্রিপশনের একটায় পাতা লিখে ফাইল নিজেকে পাঠান। ফোনে খুলুন। ফার্মেসির মতো ডোজ পড়ুন। সিল পরিষ্কার এবং লাইন আপনার লেখা হলে সুবিধা শেষ। আসল চেম্বারে রোগী অপেক্ষা করতে না পারলে পথ জানা: চূড়ান্ত, ফাইল, চ্যাট, কোন ফাইল মানবেন সেই এক বাক্য। যিনি অপেক্ষা করতে পারেন তাঁর জন্য ছাপা থাকে। দুটোই এক প্যাড। কোনোটা নিজে পাঠায় না।

এই ব্যাখ্যা দিয়ে ডাক্তার বোঝেন হারানোটা কোথায় বন্ধ হয়। কাগজ না দিয়ে উঠে গেলেও পাতা থাকে। চ্যাটে গেলেও নম্বর যায় না। পরের মাসে নাম ধরে খোলে। তিনটে কথা মিললে সার্ভিস বোঝা যায়। বোঝা গেলে তিনি সহকর্মীকেও বলতে পারেন, কারণ তিনি নিজে পাঠিয়ে দেখেছেন।

ফাইল কপি, ভিজিট রেকর্ড

এই দুই ধারণা আলাদা রাখলে সুবিধা ভয়ের হয় না। বাবার ফোনের JPG সেই বিকেল, জমে থাকা। আপনার পর্দা যেখানে শোধরান। রাস্তায় পৌঁছানোর পর ডোজ বদলাতে হলে আইডি খুলুন, বদলান, সেভ করুন, নতুন ফাইল বানান, কোনটা মানতে হবে বলুন। পুরোনো ছবি আপডেট হবে আশা করবেন না। হোয়াটসঅ্যাপ ছবি নিয়ে গেলে কোনো সৎ সফটওয়্যার সেই প্রতিশ্রুতি দিতে পারে না। যা প্রতিশ্রুতি দিতে পারে: লেখা আপনার কাছে আছে, সিল আছে, পরিষ্কার পাতা পাঠানোর উপায় আছে।

মোবাইল কাগজ ও ফাইল দুটোতেই থাকে না, কারণ ছবি ঘুরবে। দরকার হলে ডাকতে নম্বর ভিজিটে আছে। পরে খোঁজাই রাখার কারণ। ছড়িয়ে দেওয়া কারণ নয়। এই ভাগ বোঝা ডাক্তার নামসহ ফাইলে ভরসা করবেন। যিনি ভাবেন সফটওয়্যার সবাইকে নিজে মেসেজ করে, তিনি ভরসা করবেন না, করাও উচিত নয়, কারণ তা হয় না।

দরকার পড়ার আগে পাঠানো অনুশীলন করুন। ডেমোর দ্বিতীয় ফ্রি প্রেসক্রিপশন এজন্য। ছোট পাতা লিখুন। ফাইল বানান। নিজের চ্যাটে লাগান। কম্পিউটারে নয়, ফোনের পর্দায় পড়ুন, কারণ ফার্মেসি ফরওয়ার্ড করা ছবি এভাবেই দেখে। কোনো কথা কাটা পড়লে মার্জিন এখন ঠিক করুন, আসল বাচ্চা চলে যাওয়ার পর নয়। তারপর খারাপ বিকেলের পথ জানা: দেখা, চূড়ান্ত, পাঠানো, এক বাক্যে ফাইলের নাম। যিনি স্থির বসেন তাঁর জন্য কাগজ থাকে। সফটওয়্যার তাঁদের হয়ে বাছেনি। আপনি বেছেছেন, তাঁরা অপেক্ষা করতে পারেন কি না দেখে।

হারানো বন্ধ হয় দুই জায়গায়। এক, চলে গেলেও ফাইল যায়। দুই, ফিরে এলে আইডি খোলে। প্রথমটা আজকের ফার্মেসি। দ্বিতীয়টা পরের মাসের আপনি। দুটো না বললে ডাক্তার ভাবেন শুধু হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপ বাহন। লেখা আপনার ঘরে থাকে। এই ব্যাখ্যা বিক্রির মূল। বাহন জোরে বললে কাজ ঢাকা পড়ে।

ভুল চ্যাটে গেলে সফটওয়্যার ফেরায় না। তাই নাম দেখে পাঠান। বাবা আর চাচা পাশাপাশি থাকেন। এক সেকেন্ড। সেই সেকেন্ড না দিলে গোপনীয়তা ভাঙে, আর ভাঙা ফেরত আসে না। ডেমোতে নিজের নম্বরেই সেকেন্ডটা শিখুন। রোগীর নম্বরে প্রথম পাঠানো শিক্ষা নয়।

ফোন ধরিয়ে কী বলবেন

একটি নির্দেশ দিলে বাবা-মা একটি মনে রাখেন। ফাইলের নাম বলুন, আর ফার্মেসিকে কোন ছবি দেখাতে হবে বলুন। পরে ডোজ বদলালে নতুন ফাইলের নাম বলুন, পুরোনো ছবি শেষ বলুন। দুই ছবিই তাঁদের কাছে থাকবে। আপনার বাক্যই সেগুলো আলাদা করে। সফটওয়্যার চ্যাটে ঢুকে প্রথমটা মুছতে পারে না। এটা জানলে জাদু আপডেটের প্রতিশ্রুতি দেবেন না। প্রতিশ্রুতি দেবেন দ্বিতীয়, পরিষ্কার পাতার। ভিজিট আপনার পাশে থাকবে, যাতে বদল লেখা থাকে।

দুই ফ্রি প্রেসক্রিপশনের সময় নিজের নম্বরে অনুশীলন করুন। আসল রোগীর চ্যাট খারাপ ক্লাসরুম। ফোনের পর্দায় পাতা একবার দেখলে বোঝা যায় কোনো কথা কাটা কি না। সেই বিকেলে মার্জিন ঠিক করুন। পরের যে রোগী তাড়াহুড়োয় চলে যান, তাঁর ফাইল আপনি নিজের চোখে আগেই বিশ্বাস করেছেন।

কেন এই সুবিধা বিক্রি হয়। কারণ হারানোর গল্প ডাক্তার চেনেন। রোগী উঠে গেছেন, কালি শুকায়নি, মা গেটে জিজ্ঞেস করছেন দিনে কবার। কাগজ ধরিয়ে দেওয়ার সময় নেই। ফাইল থাকলে সেই গেটের প্রশ্ন একবারে শেষ হয়, যদি ফাইলে বাক্য পুরো থাকে। বাক্য আগে থেকে সেভ করা থাকলে তাড়াহুড়োতে খাটো হয় না। ক্লিক করে বসান, তারপর পাঠান। এই ক্রম না বললে মানুষ ভাবেন শুধু ছবি তোলার অ্যাপ। ছবি তোলা নয়। আপনার লেখা, আপনার সিল, আপনার প্যাডের ছবি।

পরে ফিরে আসার সুবিধা আলাদা করে বলুন। ফাইল গেছে মানে গল্প শেষ নয়। আইডি রয়েছে। নাম দিয়ে খোলে। গতবারের ডোজ দেখে এবারেরটা বদলান। কপি করে শুরু করতে পারেন, তারপর কমান। কপি মানে গত মাস আবার লিখতে হবে এমন নয়। মাথা থেকে শুরু। এই কথা না বুঝলে ডাক্তার ভয় পান পুরোনো ভুল ফিরে আসবে। বুঝলে ভয় কমে, আর কমে বলেই কেনেন।

ফাইলের নাম জোরে বলুন

কিছু লাগানোর আগে রোগীর নাম ও দিনের সময় বলুন। তারপর চ্যাট দেখুন। চ্যাটে নাম অন্য মানুষ হলে থামুন। সফটওয়্যার আপনাকে থামাবে না। এই এক বাক্যই নিরাপত্তা। ফাইল তাঁদের কাছে যাওয়ার পর ভিজিট আইডির নিচে থাকে। পরে বদল মানে নতুন নামের নতুন ফাইল, এমন আশা নয় যে পুরোনো ছবি নিজে বদলে যাবে।

কাগজ যিনি বসে থাকেন তাঁর জন্য। ফাইল যিনি উঠে গেছেন তাঁর জন্য। দুই সুবিধা এক পাতা থেকে। আপনি বাছেন, সফটওয়্যার বাছে না। মোবাইল নম্বর কাগজে ও ফাইলে যায় না, খোঁজার জন্য ভিজিটে থাকে। ছবি ঘুরলে নম্বর ঘোরে না। এই কথা ডাক্তারকে আগে বললে তিনি ভরসা করেন। না বললে ভাবেন নম্বর ছাপা হয়ে বেরোবে। ভেবে থেমে যান। থামলে বিক্রি হয় না। বুঝলে পাঠানোর অভ্যাস গড়ে, আর অভ্যাস থেকে পরের রোগী সহজ হয়।

হারানোর দুই দিক বলুন। আজ ফার্মেসি পায়, কারণ ফাইল গেছে। পরের মাসে আপনি পান, কারণ আইডি আছে। শুধু হোয়াটসঅ্যাপ বললে কাজ আধা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বাহন। লেখা, সিল, প্যাড আপনার। নিজে লাগান। ভুল চ্যাটে গেলে ফেরানো যায় না। তাই ডেমোতে নিজের নম্বরেই একবার পাঠান। ফোনের পর্দায় পড়ুন। কাটা কথা থাকলে মার্জিন সেই দিনই ঠিক করুন। তারপর আসল রোগীকে দিন। এই ক্রম শেখালে সার্ভিস বিক্রি হয়, কারণ ডাক্তার দেখেছেন কাজটা তাঁর হাতে। রোগী চলে গেলেও পাতা হারায় না। আপনি পাঠান, আপনি পরে খোলেন, আপনি ডোজ বদলান। এই তিন কাজই সন্ধ্যা সহজ করে।

softhubd কি হোয়াটসঅ্যাপ পাঠায়?

না। ফাইল বানায়। চ্যাট বেছে আপনি লাগান।

JPG-এর ভেতরে কি মোবাইল আছে?

না। সার্চের জন্য ভিজিটে থাকে। ফাইলে থাকে না।

পরে ভিজিট বদলালে তাঁর পুরোনো ছবি বদলায়?

না। নতুন ফাইল পাঠান, কোনটা আজকের বলুন।

ফোন না থাকলে?

ছাপুন। ফাইল তাঁর জন্য যিনি আগেই চলে গেছেন।

ফ্রি ডেমো English

আরও লেখা