ফাইল মানে নতুন কোনো ঔষধ নয়
ই-প্রেসক্রিপশন কী, জিজ্ঞেস করলে উত্তর অনেক দিকে চলে যায়। বারকোড। জাতীয় কোনো ব্যবস্থা। ফার্মেসি নিজে অর্ডার পেয়ে যায়। চেম্বারে রোগীর সামনে বসে এসব লাগে না। সহজ কথায় ই-প্রেসক্রিপশন হলো যে প্রেসক্রিপশন আপনি এখনই লেখেন, সেটা এমন করে রাখা যাতে আবার খোলা যায়, আর একটা কাগজ রিকশায় হারিয়ে গেলেও লেখাটা হারিয়ে না যায়।
softhubd এই সহজ অর্থের ভেতরেই থাকে। আপনি ভিজিট লেখেন। নিজের প্যাডে ছাপেন। ছাপার আগে রোগী উঠে গেলে সেই সাজানো পাতার JPG বা PDF হয়, আর ফাইলটা আপনি নিজে লাগান। সফটওয়্যার হোয়াটসঅ্যাপ খোলে না। মেইল পাঠায় না। ফার্মেসিকে ঔষধ দিতে বলে না। ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার এখানে মানে লেখা ফাইল হয়ে বের হতে পারে। দ্বিতীয় কোনো ডাক্তার নয়, ওয়েটিং রুমের পর্দাও নয়।
প্রেসক্রিপশন রাইটিং সফটওয়্যার আসলে কী করে
কাজটা তখনও ভিজিট। নাম। অভিযোগ। যে ঔষধ আপনি বাছলেন। ডোজ। পরামর্শ। প্রেসক্রিপশন রাইটিং সফটওয়্যার সেই লাইনগুলোর পাতা, আর যে লাইন আপনি আগে মেনেছেন তার স্মৃতি। দুই অক্ষরে একটা বাক্য ফিরে আসতে পারে। ক্লিক করলে প্যাডে বসে। ক্লিকের আগে প্যাড একই থাকে। নিয়মটাই পণ্য। সাজেশন গতকালের বাক্য, আজকের হুকুম নয়।
সার্চ আছে যাতে কাছাকাছি নাম গুলিয়ে না যায়। সারিতে গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম। দাম আপনার চোখের জন্য, বাছার সময়। যে চেম্বার না খোলে, ছাপায় দাম থাকে না। ক্যাটালগে প্রায় ৭২ হাজার সারি। নাম না পেলে নিজে লিখে রাখুন। জ্বর ১০০ বা তার বেশি হলে প্যারাসিটামল খোঁজার কথা আসতে পারে। খোঁজা আর বসানো এক নয়। ড্রপ, সিরাপ বা ট্যাবলেট আপনি বাছবেন।
যে প্যাড লোকে চেনে
পাড়ার রোগী ও ফার্মেসি একটা প্যাড চেনে। রং, লোগো, সিলের জায়গা। “ডিজিটাল” দেখাতে সেই কাগজ ফেলে দিলে কাউন্টারে কারও সুবিধা হয় না। যে কাগজে এখন ছাপেন, সেই PDF বা ছবি দিন। মার্জিন মিলিমিটারে সরিয়ে নিন, যাতে লেখা লেটারহেডের ওপর না পড়ে। স্বাক্ষর ও সিল PNG বা JPEG। স্বচ্ছ PNG স্বচ্ছই থাকে। একবার টেনে বসান। পরের রোগীতে আবার জায়গা ঠিক করতে হবে না।
চেম্বার আলাদা হলে কাগজ আলাদা থাকতে পারে। সকালের ক্লিনিক আর বিকেলের ঘর এক লেটারহেড ভাগ নাও করতে পারে। চেম্বার বাছলে সেই প্যাড খোলে। সহকর্মীরা প্রথম সত্যিকারের ছাপাতে এই জিনিসটাই দেখেন, স্লোগানের আগে।
কাগজ সঙ্গে যেতে না পারলে
কিছু ভিজিট করিডরে শেষ হয়। বাচ্চা কাঁদছে। কাগজ তখনও প্রিন্টারে। যে পাতা আপনি লিখেছেন, সেটা তখনও যেতে পারে, সেই সাজানো পাতার JPG বা PDF হয়ে। চ্যাট বা মেইল আপনি বাছবেন, মানুষও আপনি বাছবেন। ভিজিটে মোবাইল থাকে পরে খোঁজার জন্য। ছাপায় যায় না, আর সফটওয়্যার সেই নম্বরে মেসেজ পাঠায় না।
পরের বার সেভের একটা আইডি থাকে, যেমন 0042। নাম, মোবাইল বা সেই আইডি দিয়ে খুলবেন। আগের প্রেসক্রিপশন থেকে শুরু করে ডোজ বদলাতে পারেন, কারণ বাচ্চা ভালো আছে, অথবা নেই। পুরোনো ভিজিট থেকে যায়। কপি করা শুরু। গত মাস হুবহু চালানোর নির্দেশ নয়।
এটা যা নয়
এটা রোগ ধরে না। আপনার হয়ে ঔষধ বাছে না। এসএমএস পাঠায় না। ওয়েটিং রুমের টেলিভিশন চালায় না। চেম্বারের মালিকের সঙ্গে ফি ভাগ করে না। ইন্টারনেট থামলেও, চেম্বারের কাজ চলবে। “প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার” বলতে যে পাতা একই নিশ্বাসে এসব কথা দেয়, সেটা অন্য পণ্য। softhubd হলো লেখা, প্যাড, আর ফাইল।
ফার্মেসি হয়তো সেই কাগজই চাইবে, যেটা তারা চেনে। সেটা তাদের কাউন্টার, এই পাতার কোনো সুইচ নয়। রোগীকে যা বলা যায়, সেটা ছোট ও সত্যি: ছাপা আপনার প্যাডের মতো, আর উঠে গেলে সেই পাতার ফাইল আপনি দিতে পারেন।
মাসে কত, একবার
বেসিক ৫০০ প্রেসক্রিপশন ৳১,০০০, ২টি চেম্বার। স্ট্যান্ডার্ড ৳২,০০০, ৫টি। প্রিমিয়াম ৳৩,০০০, ১০টি। মাসিক প্যাকে একজন ডাক্তার। নাম ও ডিগ্রি ৭০% মিলতে হবে। ৫০০ কিনে ২০০ ব্যবহার করলে ৩০০ থেকে যায়। আবার ৫০০ নিলে হাতে থাকে ৮০০। একবার কেনার দাম ডেমোতে। ছাপানো প্যাডে থাকে না। ডোমেইন ও হোস্টিং সফটওয়্যারের দামের বাইরে।
ডেমোতে দুটি প্রেসক্রিপশন, বিনা খরচে, লাইভ ছাপাসহ। বাটন নতুন ট্যাবে খোলে। একটা সত্যিকারের নাম লিখুন, চেনা ঔষধ খুঁজুন, ছাপুন। পাতাটা আপনার ভিজিটের মতো না লাগলে কিছু কেনা হয়নি।
ডোজে বাংলা, বোতলের নাম যেমন আছে
ফার্মেসি সেই নামই ছাড়ে, যে নাম তারা পড়তে পারে। ব্র্যান্ড ক্যাটালগে যেমন আছে, তেমনই থাকে। ডোজের জায়গায় বাংলা কাজে লাগে। সকাল থেকে রাত, কয়েক ঘণ্টা পর পর, দিনে কবার, অথবা শিরায় ফোঁটা। বাংলিশ লিখলে বাংলা হয়ে যায়। ইংরেজি বাছলে লেখার ভাষা সেদিকে যায়। একই পাতা ফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপে খোলে। ছোট পর্দায়ও রোগী, ঔষধ ও প্যাডের জায়গা থাকে। বিকেলের প্রথম ভিজিট লিখতে আলাদা অ্যাপ বসাতে হয় না।
দামের কথা বলার আগে এইটাই দেখে নিন। মাকে যেভাবে ডোজ বলেন, সেভাবে এক লাইন লিখুন। প্যাডের লাইন হাতের লেখার মতো হলে সফটওয়্যার কাজ করছে। ডোজের ঘর খুঁজতে বই লাগলে করছে না।
রিপোর্ট কী গোনে
ভিজিট সেভ হলে রিপোর্টে আজ, সপ্তাহ, মাস ও বছর দেখা যায়। নতুন রোগী ও ফিরে আসা রোগী আলাদা। যে ঔষধ, কোম্পানি ও টেস্ট বেশি লেখা, সেটা দেখা যায়। হিসাব ঢাকার সময় ধরে। এটা আপনার চেম্বারের ছবি, যা আপনি ইতিমধ্যে চালিয়েছেন। এটা র্যাঙ্ক নয়, আর এটা প্রতিশ্রুতি নয় যে আরও মানুষ আপনাকে খুঁজে পাবে। দেখে নিতে পারেন, একটা সিরাপ চুপচাপ বিকেলের অর্ধেক হয়ে গেছে কি না। তারপর নিজে ঠিক করবেন, সেটা আপনি চেয়েছিলেন কি না।
সহকারী আপনার বসার আগে ইতিহাস লিখে রাখতে পারে। আপনার লাইন আপনার লগইনে থাকে। তারা আপনার সিল পায় না। পরের রোগীতেও নতুন কিছু প্যাডে বসে আপনার ক্লিকের পর।
এখানে ই-প্রেসক্রিপশন কী?
যে প্রেসক্রিপশন আপনি পাতায় লেখেন, সেটা নিজের প্যাডে ছাপা, অথবা JPG বা PDF যা আপনি নিজে লাগান।
ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার মানে কি ফার্মেসিতে ঔষধ চলে যাওয়া?
না। ফাইল আপনি বানান। কোথায় যাবে, আপনি ঠিক করেন। পাতা ঔষধ দেয় না, চ্যাটও খোলে না।
সফটওয়্যার কি ভিজিট লিখে দেয়?
না। আগের লাইন সাজেশন। ক্লিকের পর তবে প্যাডে বসে।
সফটওয়্যারের লম্বা পাতা কোথায়?
অনলাইন প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার নামের পাতা এই সাইটে আছে, ব্লগের বাইরে। ডেমো দুটি প্রেসক্রিপশন, নতুন ট্যাবে।